রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১:২৯
শিরোনাম :
বরিশালে ফিরোজ ও এনায়েতের নেতৃত্বে ২৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি বাঁধনের ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিএম কলেজে আলোচনা সভা, র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ বিএম কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরে বরিশাল মেট্রোপলিটন কলেজে আলোচনা সভা সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিক সুরক্ষা পরিষদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ বরিশাল জেলা জামায়াতের নবনির্বাচিত আমীর ড.মাহফুজুর রহমানের শপথ গ্রহণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম উদীয়মান শক্তিতে পরিণত হচ্ছে ইরান দেড় মাসের শিশু উদ্ধার,এসআই রুহুল আমিনের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার তিন নারী কারাগারে বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জুলাই যোদ্ধার মৃত্যুতে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি এনসিপি মেয়রপ্রার্থীর!

সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার রুহানির

অনলাইন ডেস্ক  ইরানের প্রভাবশালী সামরিক কমান্ডার কুদস বাহিনীর প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের বদলা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি বলেছেন, ইরান অবশ্যই সমরনায়ক মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের বদলা নেবে।

শনিবার রাজধানী তেহরানে নিহতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এমন অঙ্গীকার করেন।

রুহানি বলেন, হোয়াইট হাউস বুঝতে পারেনি তারা ইরানি জেনারেলকে হত্যা করে কত বড় ভুল করেছে। এই অপরাধের পরিণতি ওয়াশিংটনকে শুধু আজ নয় বরং বহু বছর ধরে ভোগ করতে হবে।

ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, ইয়েমেন ও আফগানিস্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সোলাইমানির অবদানের প্রশংসা করেন রুহানি। তিনি বলেন, জেনারেল সোলায়মানি শুধু একজন সামরিক কমান্ডার ও বহু অভিযানের সমন্বয়কই ছিলেন না বরং তিনি একজন তুখোড় রাজনীতিবিদ ও কৌশলবিদ ছিলেন।

ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, জেনারেল সোলায়মানি এ অঞ্চলের দেশগুলোর নিরাপত্তা এবং নিপীড়িত জনগণের জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। কিন্তু তাকে হত্যা করেছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী।

এর আগে শুক্রবার সোলাইমানি-র হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই তার বাড়িতে গিয়ে সান্তনা দেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি। নিহতের স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে দেখা করে তিনি বলেন, জেনারেল সোলাইমানি এ পর্যন্ত বহু বার এমন অবস্থার মুখে পড়েছেন যে, তখনও তিনি শহীদ হয়ে যেতে পারতেন। তিনি আল্লাহর পথে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনও কিছুকেই পরোয়া করতেন না।

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, জেনারেল সোলাইমানির জিহাদ ছিল অনেক বড় জিহাদ। আল্লাহ তাআলাও তাকে অনেক মর্যাদাপূর্ণ শাদাহাৎ দান করেছেন। এটি আল্লাহ তাআলার রড় নিয়ামত। তিনি এই নিয়ামতের যোগ্য ছিলেন।

জেনারেল সোলাইমানির মেয়েকে উদ্দেশ্য করে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, তোমার বাবার জন্য গোটা জাতি কাঁদছে। এটা হয়েছে ইখলাসের কারণে। জনগণ তোমার বাবার মর্যাদা উপলব্ধি করেছে। তার মধ্যে ইখলাস ছিল বলেই আজ মানুষ এভাবে তার জন্য শোক পালন করছে।

শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন জেনারেল কাসেম সোলায়মানি। সিরিয়া ও ইরাকে ইরানের অবস্থান সুসংহত করতে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। সূত্র: পার্স টুডে, আল জাজিরা।